দলের কঠিন ও দুর্দিনে ত্যাগী, দলের দুর্দিনে ধানের শীষের দুটি নির্বাচনে, যিনি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার পরেও তার সেন্টারে ধানের শীষ কে ভোট শূন্য করতে আওয়ামী লীগ সরকারকে দেয়নি । অথচ তারই সাথে প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নামধারী আওয়ামী সমর্থিত কর্মীরা দুটি নির্বাচনে ধানের শীষ কে দুটি সেন্টারে ভোট শূন্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে আনন্দ উৎসব এমনকি মিছিল করার সুযোগ করে যারা দিয়েছিল আজ তারাই তার দলের সুদিনে সবচেয়ে বড় কঠিন শত্রু হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানতে পারলাম । দলের চূড়ান্ত দুর্দিনে উপজেলার একজন কঠিন প্রতিবাদী নেতা হিসেবে পরিচিত, জালাল উদ্দীন ফারুকীর বিরুদ্ধে ওঠা সাম্প্রতিক অভিযোগ ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে সাচনা বাজারের স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে । গ্রুপিং এর ঊর্ধ্বে দলীয় নেতা-কর্মীদের দাবি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখার কারণেই একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে। তাকে রাজনৈতিক গ্রুপিং এর কর্মফল বলে অনেকের দাবি । জানা যায়, কিছুদিন আগেই 'সজল' নামের এক ভুক্তভোগীর অভিযোগ পেয়ে জালাল উদ্দীন ফারুকী ফেসবুকে এক স্পষ্ট ও কঠোর বার্তা প্রকাশ করেন। তিনি প্রকাশ্যে নিজের ব্যক্তিগত নম্বর শেয়ার করে ঘোষণা দেন, "কোনো ছোট অটোরিকশা ওয়ালা থেকে কেউ যদি চাঁদা দাবি করে, সরাসরি আমার নম্বরে যোগাযোগ করবেন।" চাঁদাাবাজদের বিরুদ্ধে তাঁর এই প্রকাশ্যে অবস্থান এবং নম্বর প্রকাশের ঘটনাটি ব্যাপক প্রশংশিত হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, চাঁদাাবাজি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে এই দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার পর থেকেই একটি ষড়যন্ত্রকারী মহল তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে পেছনে লাগে। এর পরপরই ফিল্মি স্টাইলে নায়েককে মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে ভীলেন বানিয়ে, ফিল্মি স্টাইলে, প্রকাশিত মিডিয়া ও জনগণের বাহ্যিক চোখে, জালাল উদ্দিন ফারুকী কে চাঁদাবাজের উপাধি দিতে দ্বিধাবোধকরেণী কুচক্রীমহল । জালাল উদ্দিন ফারুকীর সাথে যোগাযোগ করলে উনি বলেন, এই দুর্ঘটনার সাথে আওয়ামী লীগের দুইজন ও উনার নিজ দলের প্রতিহিংসা ও গ্রুপিং এর কারণে তিনজন বিএনপির , কর্মী নেপথ্যে সম্পূর্ণ পরিকল্পনা সাকসেসফুল করেন । ঘটনাটি প্রতি সস্তা ভাবে পরিকল্পনার মাধ্যমে দ্রুত মনগড়া অভিযোগ তোলা হয়, যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে করেন সাধারণ মানুষ ও সাজনা বাজারে ব্যবসায়ী বৃন্দ । নেতা-কর্মী ও সর্বস্তরের মানুষের দাবি—কোনো মিথ্যা বা ষড়যন্ত্রমূলক চক্রান্তের শিকার হয়ে দলের দুর্দিনের পরীক্ষিত একনিষ্ঠ একজন নির্দোষ কর্মী যেনো অপপ্রচারের বলি না হন। কোনো পক্ষপাতিত্ব না করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আসল সত্য উন্মোচনের জোর দাবি জানানো হয়েছে। উনার সম্বন্ধে সবচেয়ে ভালো জানে সাচনা বাজারের ব্যবসায়ী বৃন্দ, উনি যদি চাঁদাবাজ হয় তাহলে অবশ্যই সাচনাবাজারের ব্যবসায়ীরা তা অবগত থাকবে । তাই কোন প্রকার "ষড়যন্ত্র নয়, আমরা সত্যের নিরপেক্ষ তদন্ত চাই!"—এই স্লোগানে সরব হয়ে জালাল উদ্দিন ফারুকীর অনুসারীরা এবং সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা অনতিবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু ও সঠিক সত্য প্রকাশের আহ্বান জানান।