সংবাদদাতা:জামালগঞ্জ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত উত্তর কামলাবাজ গ্রামের খেটে খাওয়া পরিবারের সন্তান ডা. মোহাম্মদ শরিয়ত উল্লাহ আজ মানবিক চিকিৎসাসেবা ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে এলাকায় অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। প্রান্তিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা এই তরুণ চিকিৎসক বগুড়া মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করে স্বাস্থ্য খাতে বিসিএস ক্যাডার হিসেবে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন।
বর্তমানে তিনি জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এলাকার হতদরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আন্তরিকভাবে চিকিৎসাসেবা দিয়ে ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, ডা. শরিয়ত উল্লাহ শুধু একজন চিকিৎসক নন, বরং একজন মানবিক সেবক। তার ব্যবহার, আন্তরিকতা এবং রোগীদের প্রতি সহমর্মিতা সকলকে মুগ্ধ করে। এলাকার সাধারণ মানুষ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় তার কাছ থেকে সুপরামর্শ পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন।
জামালগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ মনে করেন, প্রত্যন্ত গ্রামের একজন সন্তান আজ চিকিৎসা ক্ষেত্রে যে সুনাম অর্জন করেছেন, তা পুরো এলাকার জন্য গর্বের বিষয়। তার সাফল্য এলাকার তরুণ প্রজন্মের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।
সম্প্রতি উচ্চতর অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষ্যে হৃদরোগ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হওয়ার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রশিক্ষণের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এ খবর প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই এলাকায় নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন তিনি।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষ তার এই অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “ডা. শরিয়ত উল্লাহ আমাদের এলাকার গর্ব। তিনি যেন আরও বড় মাপের চিকিৎসক হয়ে দেশের মানুষের সেবা করতে পারেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
এদিকে তার এই নতুন যাত্রাকে ঘিরে এলাকাবাসী দোয়া ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। সকলেই আশা করছেন, ভবিষ্যতে হৃদরোগ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হয়ে তিনি দেশের স্বাস্থ্যসেবায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
উল্লেখ্য, জামালগঞ্জ উপজেলার উত্তর কামলাবাজ গ্রামের এই কৃতী সন্তান ইতোমধ্যেই মানবিক চিকিৎসাসেবা ও বিনয়ী ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। স্থানীয়দের বিশ্বাস, তার এই অগ্রযাত্রা ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্যের দুয়ার খুলে দেবে।